Isabgol 70g

৳ 220

ইসুবগুল

 ইসুবগুল মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারি। ইসুবগুলের ভুসি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

                                              উপকারিতা:

ইসবগুলের ভুসি একটি হাইপোকোলেস্টেরলিক ফুড, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় ও ভালো কোলেস্টেরলের  পরিমাণ বাড়ায়। এ ছাড়া এটি রক্তে ট্রাই-গিস্নসারাইডের পরিমাণ কমায়। ফলে হৃদরোগ ঝুঁকি কমে।
ইসবগুলের মাত্রাধিক দ্রবণীয় ডাইটারি ফাইবার আমাদের ক্ষুদ্রান্ত্রের খাদ্য শোষণ ভিলাইয়ের ওপর এক জালকের সৃষ্টি করে ফলে ধীরে ধীরে রক্তে গস্নুকোজ শোষিত হয় এবং রক্তে গস্নুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কোষ্ঠবদ্ধতা অর্শরোগের প্রধান কারণ। তাই অর্শরোগীরা নিয়মিত ইসবগুলের ভুসি খেলে ভালো উপকার পাবেন।
যে কোনো কারণে প্রস্রাব হলুদ হয়ে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে, ইসবগুলের ভুসি তা সারাতে সাহায্য করে।
মাথা ঘোরা বা হাত-পা জ্বালাপোড়া হলে এক গস্নাস আখের গুড়ের শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।
পেটের প্রায় সব ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইসুবগুল হতে পারে এক উত্তম ওষুধ। পেট ঠাণ্ডা রাখতে ইসুবগুল ভুসির ভূমিকা অনন্য।
পেট ব্যথা দূর করতে ইসুবগুলের ভুসি খেতে পারেন। এর মিউসিলেজিনাস ভূমিকার কারণে আলসারজনিত পেট ব্যথা কম মনে হয়।
 

আঁশসমৃদ্ধ খাবার ইসুবগুল। নিয়মিত ইসুবগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। আমাশয় কিংবা অর্শ রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। দ্রুত ফল পেতে দইয়ের সঙ্গে ইসুবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন।
হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইসুবগুলের ভুসি খাওয়া উচিত।
কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে ইসুবগুলের ভুসি অন্যতম , ,ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।
ডায়রিয়া উপশমে বেশ উপকারে আসে ইসুবগুল ভুসি। এজন্য ৭-২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে।
পাইলস  রোগে আক্রান্ত হলে প্রতিদিন তিন থেকে চারবার ইসুবগুলের ভুসির শরবত খেয়ে যান।
 

                                                     অপকারিতা:

নির্দিষ্ট মাত্রায় ইসবগুল খেলে তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা

You may also like


CART